করবা চৌথ হিন্দু ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। বহু বিবাহিত মহিলা তাঁদের স্বামীর দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য, সুখী দাম্পত্য জীবন এবং পরিবারের মঙ্গল কামনায় এই ব্রত পালন করেন। এই দিনে উপবাস, পূজার্চনা, ব্রতকথা শ্রবণ এবং দেবী পার্বতী, ভগবান শিব, ভগবান গণেশ ও চন্দ্রদেবের আরাধনা করা হয়।
২০২৬ সালে ভারতে বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর করবা চৌথ পালিত হবে। ভক্তি, পারিবারিক ঐতিহ্য এবং দাম্পত্য জীবনের সুখ-সমৃদ্ধি কামনায় প্রার্থনা করার এটি একটি বিশেষ উপলক্ষ।
করবা চৌথ ২০২৬ কবে?
হিন্দু চান্দ্র পঞ্জিকা অনুসারে, করবা চৌথ সাধারণত কার্তিক মাসের সঙ্গে সম্পর্কিত কৃষ্ণপক্ষের চতুর্থী তিথিতে পালিত হয়। বিভিন্ন আঞ্চলিক পঞ্জিকায় মাস গণনার পদ্ধতির কারণে মাসের নামে কিছু পার্থক্য থাকতে পারে।
- উৎসব: করবা চৌথ
- তারিখ: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
- তিথি: কৃষ্ণপক্ষ চতুর্থী
- প্রধান আচার: উপবাস, সন্ধ্যার পূজা, ব্রতকথা শ্রবণ এবং চন্দ্রদেবকে অর্ঘ্য নিবেদন
পূজার শুভ সময় এবং চন্দ্রোদয়ের সময় স্থানভেদে আলাদা হতে পারে। তাই নিজের শহরের জন্য নির্ভরযোগ্য পঞ্জিকা থেকে সঠিক সময় জেনে নিন।
করবা চৌথের গুরুত্ব
করবা চৌথ দাম্পত্য ভালোবাসা, ভক্তি এবং পারিবারিক মঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি উৎসব। প্রচলিত রীতি অনুসারে, বহু বিবাহিত মহিলা তাঁদের স্বামীর দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য এবং পরিবারের সুখ-সমৃদ্ধি কামনায় এই ব্রত পালন করেন। কিছু অবিবাহিত মহিলাও নিজেদের বিশ্বাস বা পারিবারিক প্রথা অনুসারে এই ব্রত পালন করেন।
এই উৎসবে ব্যবহৃত 'করবা' বলতে সাধারণত মাটি বা অন্য উপাদানে তৈরি একটি ঐতিহ্যবাহী পাত্রকে বোঝায়। পূজা এবং দান-সংক্রান্ত আচারগুলিতে এই পাত্রের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।
অঞ্চল ও পরিবারভেদে আচার-অনুষ্ঠানের পার্থক্য থাকতে পারে। তবে ভক্তি, পূজার্চনা এবং চন্দ্রদেবের আরাধনা এই উৎসবের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
করবা চৌথের পূজার সামগ্রী
পূজার প্রয়োজনীয় সামগ্রী আগে থেকে প্রস্তুত করে রাখলে আচারগুলি সহজে সম্পন্ন করা যায়।
সাধারণত ব্যবহৃত পূজার সামগ্রীগুলি হলো:
- করবা বা জল রাখার ছোট পাত্র
- পূজার থালা
- প্রদীপ ও তুলোর সলতে
- প্রদীপ জ্বালানোর জন্য ঘি বা তেল
- রোলি বা সিঁদুর
- অক্ষত, অর্থাৎ আস্ত চালের দানা
- ফুল
- ধূপ বা আগরবাতি
- ফল ও মিষ্টি
- চন্দ্রদেবকে অর্ঘ্য দেওয়ার জন্য জল
- চাঁদ দেখার প্রচলিত আচারে ব্যবহৃত চালুনি
- দেবী পার্বতী, ভগবান শিব ও ভগবান গণেশের ছবি বা মূর্তি
- করবা চৌথের ব্রতকথার বই বা পাঠের জন্য লেখা
পারিবারিক ও আঞ্চলিক প্রথা অনুসারে পূজার সামগ্রীতে কিছু পার্থক্য থাকতে পারে।
সংকল্প: ব্রত পালনের প্রতিজ্ঞা
করবা চৌথের দিন মহিলারা সাধারণত সকালে স্নান করার পর সংকল্প গ্রহণ করেন। সংকল্প হলো ভক্তিভরে ব্রত পালনের একটি পবিত্র প্রতিজ্ঞা। প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে, স্বামীর দীর্ঘায়ু, পরিবারের মঙ্গল এবং দাম্পত্য জীবনের সুখ কামনা করে এই সংকল্প নেওয়া হয়।
সংকল্পের মাধ্যমে ব্রতটি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন এবং পারিবারিক রীতি অনুসারে সম্পন্ন করার ইচ্ছা প্রকাশ করা হয়। প্রচলিতভাবে কিছু মহিলা চন্দ্রোদয় পর্যন্ত খাবার ও জল গ্রহণ না করে নির্জলা ব্রত পালন করেন। তবে ব্রত পালনের রীতি বিভিন্ন পরিবারে আলাদা হতে পারে। নিজের স্বাস্থ্য ও ব্যক্তিগত পরিস্থিতি বিবেচনা করে ব্রত পালন করা উচিত।
সংকল্পের সময় প্রচলিত সংস্কৃত মন্ত্রটি হলো:
मम सुखसौभाग्य पुत्रपौत्रादि सुस्थिर श्री प्राप्तये करक चतुर्थी व्रतमहं करिष्ये।
অর্থ: আমার স্বামী, সন্তান, নাতি-নাতনি এবং পরিবারের মঙ্গল, স্থায়ী সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধি লাভের উদ্দেশ্যে আমি করক চতুর্থীর ব্রত পালন করব।
করবা চৌথের পূজার বিধি
হিন্দু ঐতিহ্য অনুসারে, সূর্যাস্তের পর শুরু হওয়া সন্ধ্যাকালকে করবা চৌথের পূজার উপযুক্ত সময় বলে মনে করা হয়। তবে সঠিক পূজার মুহূর্ত স্থানভেদে পরিবর্তিত হয়। পূজা শুরু করার আগে নিজের শহরের পঞ্জিকা থেকে সময় জেনে নিন।
এই পূজায় দাম্পত্য সুখ, সৌভাগ্য এবং পারিবারিক সমৃদ্ধির জন্য দেবী পার্বতীর আরাধনা করা হয়। কিছু প্রথায় মহিলারা দেওয়ালে গৌরা দেবী ও চৌথ মাতার ছবি আঁকেন। অন্য প্রথায় করবা চৌথের পূজার ক্যালেন্ডার বা দেবীর ছবি ব্যবহার করা হয়।
এই ঐতিহ্যগুলিতে গৌরা দেবী ও চৌথ মাতাকে দেবী পার্বতীর রূপ হিসেবে মানা হয়।
দেবী পার্বতীর পূজার মন্ত্র
দেবী পার্বতীর পূজার সময় ভক্তরা নিচের সংস্কৃত মন্ত্রটি পাঠ করতে পারেন:
नमः शिवायै शर्वाण्यै सौभाग्यं संतति शुभाम्। प्रयच्छ भक्तियुक्तानां नारीणां हरवल्लभे॥
অর্থ: হে ভগবান শিবের প্রিয় পত্নী দেবী পার্বতী, আপনার ভক্ত নারীদের সৌভাগ্য ও মঙ্গলময় পারিবারিক জীবন দান করুন।
দেবী পার্বতীর পূজার পরে পারিবারিক প্রথা অনুসারে ভগবান শিব, কার্তিকেয় এবং গণেশেরও পূজা করা যেতে পারে।
করবা দান
কিছু প্রচলিত রীতিতে পূজার পরে করবা বা করক পাত্র দান করা হয়। স্থানীয় ও পারিবারিক প্রথা অনুসারে এটি কোনো ব্রাহ্মণ বা বিবাহিত মহিলাকে দেওয়া যেতে পারে।
প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, করবায় জল বা দুধ ভরে তার মধ্যে মুদ্রা বা অন্যান্য মঙ্গলজনক সামগ্রী রাখা যেতে পারে।
করবা দানের সময় প্রচলিত সংস্কৃত মন্ত্রটি হলো:
करकं क्षीरसम्पूर्णा तोयपूर्णमथापि वा। ददामि रत्नसंयुक्तं चिरञ्जीवतु मे पतिः॥
অর্থ: দুধ বা জল এবং মঙ্গলজনক সামগ্রী দিয়ে পূর্ণ এই করবা আমি দান করছি। আমার স্বামী যেন দীর্ঘায়ু লাভ করেন, এই প্রার্থনা জানাই।
করবা দানের পদ্ধতি ও মন্ত্রের পাঠ বিভিন্ন আঞ্চলিক প্রথা এবং ঐতিহ্যবাহী গ্রন্থ অনুসারে আলাদা হতে পারে। ভক্তরা নিজেদের পরিবারের প্রচলিত রীতি অনুসরণ করতে পারেন।
করবা চৌথের ব্রতবিধি: ধাপে ধাপে নির্দেশিকা
১. সূর্যোদয়ের আগে সর্গি গ্রহণ
অনেক পরিবারে করবা চৌথের দিন সর্গি দিয়ে শুরু হয়। সর্গি হলো সূর্যোদয়ের আগে গ্রহণ করা খাবার। প্রচলিত রীতি অনুসারে, শাশুড়ি তাঁর পুত্রবধূকে সর্গি দেন। এতে ফল, শুকনো ফল, মিষ্টি এবং অন্যান্য খাবার থাকতে পারে।
যাঁরা ব্রত পালন করেন, তাঁরা পারিবারিক রীতি ও স্থানীয় সময় অনুসারে সূর্যোদয়ের আগে সর্গি গ্রহণ করেন।
২. ব্রত পালন করা
সর্গি গ্রহণের পর ব্রত শুরু হয়। প্রচলিতভাবে অনেক মহিলা চন্দ্রোদয় পর্যন্ত খাবার ও জল গ্রহণ না করে নির্জলা ব্রত পালন করেন।
ব্রত পালনের পদ্ধতি ব্যক্তি ও পরিবারভেদে আলাদা হতে পারে। নিজের স্বাস্থ্য এবং ব্যক্তিগত পরিস্থিতি বিবেচনা করে ব্রত পালন করুন।
৩. সন্ধ্যার পূজার প্রস্তুতি
সন্ধ্যায় পূজার স্থান পরিষ্কার করে প্রয়োজনীয় সামগ্রী সাজিয়ে নিন। অনেক মহিলা ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরেন এবং পূজার থালা সাজান।
করবা ও অন্যান্য পূজার সামগ্রী যথাযথভাবে রাখুন। পূজার সময় পড়ার বা শোনার জন্য ব্রতকথাও প্রস্তুত রাখুন।
৪. দেবী পার্বতী, ভগবান শিব ও গণেশের পূজা
পারিবারিক প্রথা অনুসারে দেবী পার্বতী, ভগবান শিব ও ভগবান গণেশের পূজা করুন।
প্রদীপ জ্বালিয়ে ফুল ও সিঁদুর নিবেদন করুন। দাম্পত্য জীবনে শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করুন। ভক্তরা প্রাসঙ্গিক মন্ত্র পাঠ করতে পারেন অথবা দেবদেবীর আরতি গাইতে পারেন।
আঞ্চলিক ও পারিবারিক প্রথা অনুসারে পূজার ক্রমে পার্থক্য থাকতে পারে।
৫. করবা চৌথের ব্রতকথা শোনা বা পাঠ করা
করবা চৌথের পূজায় ব্রতকথা পাঠ করা বা শোনা একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্যবাহী আচার।
এই উৎসবের সঙ্গে সম্পর্কিত একাধিক প্রচলিত কাহিনি রয়েছে। এর মধ্যে বীরাবতীর কাহিনি বিশেষভাবে পরিচিত। এই কাহিনিতে ভক্তি, বিশ্বাস এবং ব্রত পালনের ঐতিহ্যবাহী ধারণাগুলি তুলে ধরা হয়।
প্রচলিত রীতি অনুসারে, মহিলারা পূজার সময় একত্রিত হয়ে ব্রতকথা পাঠ করেন বা শোনেন।
৬. চন্দ্রদেবকে অর্ঘ্য নিবেদন
চন্দ্রোদয়ের পরে ভক্তরা চন্দ্রদেবকে জল নিবেদন করেন। এই নিবেদনকে অর্ঘ্য বলা হয়। এ সময় পরিবারের মঙ্গল এবং স্বামীর সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করা হয়।
অনেক অঞ্চলে মহিলারা চালুনির মধ্য দিয়ে চাঁদ দেখেন এবং তারপর একই চালুনির মধ্য দিয়ে স্বামীর মুখ দেখেন। পারিবারিক প্রথা অনুসারে, এরপর স্বামী স্ত্রীকে জল বা খাবার দিয়ে ব্রত ভঙ্গ করতে সাহায্য করেন।
চন্দ্রোদয়ের সময় শহরভেদে আলাদা হয়। তাই নিজের এলাকার পঞ্জিকা থেকে সঠিক সময় জেনে নিন।
৭. ব্রত ভঙ্গ করা
চন্দ্রদেবের পূজা ও প্রচলিত প্রার্থনা সম্পন্ন করার পর মহিলারা পারিবারিক রীতি অনুসারে ব্রত ভঙ্গ করেন। এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খাবার গ্রহণ করেন।
এইভাবে ভক্তি, প্রার্থনা এবং পারিবারিক আনন্দের মধ্য দিয়ে করবা চৌথের উৎসব সম্পন্ন হয়।
করবা চৌথের ব্রতকথা
বীরাবতীর কাহিনি করবা চৌথের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী গল্প।
প্রচলিত একটি কাহিনি অনুসারে, বীরাবতী তাঁর স্বামীর মঙ্গলের জন্য করবা চৌথের ব্রত পালন করছিলেন। সারাদিন উপবাস করার ফলে তিনি খুব দুর্বল হয়ে পড়েন। তাঁর অবস্থা দেখে চিন্তিত ভাইয়েরা এমন একটি দৃশ্য তৈরি করেন, যাতে মনে হয় চাঁদ উঠেছে। চাঁদ উঠেছে ভেবে বীরাবতী নির্ধারিত সময়ের আগেই ব্রত ভঙ্গ করেন।
ব্রত ভঙ্গ করার পর তিনি তাঁর স্বামীর সম্পর্কে একটি দুঃখজনক সংবাদ পান। কাহিনি অনুসারে, বীরাবতী গভীর ভক্তিভরে প্রার্থনা করেন এবং দৈব আশীর্বাদ কামনা করেন। তাঁর ভক্তি ও প্রার্থনার ফলে শেষ পর্যন্ত তাঁর স্বামী সুস্থ হয়ে ওঠেন বলে গল্পে বর্ণিত হয়েছে।
বিভিন্ন ঐতিহ্যে এই কাহিনির একাধিক রূপ প্রচলিত রয়েছে। এর মূল শিক্ষা হলো ভক্তি, ধৈর্য, বিশ্বাস এবং ধর্মীয় রীতিনীতি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করা।
ভক্তরা নিজেদের পরিবার বা অঞ্চলে প্রচলিত ব্রতকথা পূজার সময় পাঠ করতে পারেন।
ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে করবা চৌথের ঐতিহ্য
ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন রীতিতে করবা চৌথ পালন করা হয়। উত্তর ভারতের বহু সম্প্রদায়ে সর্গি, সন্ধ্যার পূজা, ব্রতকথা এবং চন্দ্রদর্শন এই উৎসবের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
পোশাক, খাবার, পূজার সামগ্রী এবং আচার-অনুষ্ঠানের ক্রম অঞ্চল ও পারিবারিক ঐতিহ্য অনুসারে পরিবর্তিত হতে পারে। কিছু সম্প্রদায়ে এই উৎসবের সঙ্গে সম্পর্কিত বিশেষ কাহিনি ও অতিরিক্ত আচারও প্রচলিত রয়েছে।
পারিবারিক ঐতিহ্য অনুসরণ করা এবং স্থানীয় পঞ্জিকা দেখে নেওয়া উৎসবের প্রস্তুতিতে সাহায্য করে।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
১. করবা চৌথ ২০২৬ কবে?
২০২৬ সালে ভারতে করবা চৌথ পালিত হবে বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর।
২. করবা চৌথের ব্রত কেন পালন করা হয়?
প্রচলিতভাবে বহু বিবাহিত মহিলা তাঁদের স্বামীর দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য এবং পরিবারের সুখ কামনায় এই ব্রত পালন করেন।
৩. করবা চৌথের পূজায় কী কী সামগ্রী লাগে?
সাধারণত করবা, জল, পূজার থালা, প্রদীপ, ফুল, সিঁদুর, অক্ষত, ফল, মিষ্টি এবং চালুনি ব্যবহার করা হয়। আঞ্চলিক প্রথা অনুসারে সামগ্রীতে পার্থক্য থাকতে পারে।
৪. করবা চৌথের ব্রত কখন ভঙ্গ করা হয়?
প্রচলিত রীতি অনুসারে, চন্দ্রদর্শন, অর্ঘ্য নিবেদন এবং পূজা সম্পন্ন করার পর ব্রত ভঙ্গ করা হয়। নিজের স্থানীয় পঞ্জিকা ও পারিবারিক প্রথা অনুসরণ করুন।
৫. সব শহরে কি করবা চৌথের পূজার মুহূর্ত একই?
না। পূজার মুহূর্ত এবং চন্দ্রোদয়ের সময় স্থানভেদে আলাদা হয়। নিজের শহরের নির্ভরযোগ্য পঞ্জিকা দেখে নিন।
৬. অবিবাহিত মহিলারাও কি করবা চৌথ পালন করতে পারেন?
কিছু অবিবাহিত মহিলা নিজেদের বিশ্বাস ও পারিবারিক প্রথা অনুসারে এই ব্রত পালন করেন। সম্প্রদায়ভেদে রীতিনীতি আলাদা হতে পারে।
আপনার ভক্তি চালিয়ে যান
এই দিনে আপনার আরাধনাকে আরও গভীর করতে এগুলিও পড়তে বা জপ করতে পারেন:
উপসংহার
করবা চৌথ ভক্তি, প্রার্থনা এবং পারিবারিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। এই দিনে উপবাস, পূজা, ব্রতকথা পাঠ এবং চন্দ্রদেবের আরাধনা করা হয়।
করবা চৌথ ২০২৬-এর প্রস্তুতির জন্য পূজার সামগ্রী আগে থেকে গুছিয়ে রাখুন। নিজের শহরের পূজার মুহূর্ত এবং চন্দ্রোদয়ের সময় নিশ্চিত করে নিন। ভক্তি, সচেতনতা এবং পারিবারিক ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এই উৎসব পালন করাই এর মূল তাৎপর্য।